প্রোটিন জাতীয় খাবার

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সকলে অনেক ভালো আছেন। আপনাদের কে আমাদের এই সাইটে আমার পক্ষ থেকে জানাই স্বাগতম। আজকের পোস্ট এ আমি আপনাদের সাথে প্রোটিন জাতীয় খাবার এই বিষয় টি নিয়ে কথা বলবো। তো চলুন দেরি না করে পোস্ট টি শুরু করে দেওয়া যাক।

 

আজকে বেশি কথা না বলে সরাসরি চলে যাই মূল টপিক প্রোটিন জাতীয় খাবার এর তালিকা এই বিষয়ে।

 

প্রোটিন জাতীয় খাবার তালিকা

আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কোন না কোন প্রোটিন জাতীয় খাবার থাকে। আমাদের দেহে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য খাদ্য তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখা একান্ত কর্তব্য। আমাদের দেহে প্রোটিনের ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতিদিনের খাবার তালিকা প্রোটিন রাখা উচিত। প্রোটিন জাতীয় খাবার গুলোকে দুটি ভাগে ভাগ যায়। যথাঃ

প্রাণীজ প্রোটিন জাতীয় খাবারঃ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, কলিজা এবং মাছের ডিম ইত্যাদি।
উদ্ভিজ্জ প্রোটিন জাতীয় খাবারঃ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি এবং ফুলমূল।

 

প্রাণীজ প্রোটিন জাতীয় খাবার

নিম্নে প্রাণীজ প্রোটিন জাতীয় খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ-

 

মাংস

আমরা বিভিন্ন ধরনের মাংস খেয়ে থাকি (যেমনঃ মহিষের মাংস, গরুর মাংস, খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস, মুরগির মাংস এবং হাঁসের মাংস ইত্যাদি)। আর মাংস তে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন। যা আমাদের দেহের প্রোটিনের চাহিদ অনেক বেশি মিটিয়ে থাকে।

 

ডিম

অত্যন্ত সহজলভ্য খাবার উপাদান হচ্ছে ডিম। আর এই ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। যা আমাদের দেহের বিভিন্ন গঠনে সাহায্য করে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, ডিমের মধ্য চাহিদার তুলনায় বেশি প্রোটিন থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের ডিম খাওয়া একান্ত অত্যাবশ্যকীয়।

 

চিংড়ি মাছ

চিংড়ি মাছ আমরা সকলেই খেতে পছন্দ করি। আর চিংড়ি মাছে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম চিংড়িতে রয়েছে ২৪ গ্রাম প্রোটিন। যা আমাদের প্রতিদিনের জন্য পর্যাপ্ত।

 

দুধ

প্রোটিনের জন্য দুধ হচ্ছে আদর্শ। আমাদের প্রত্যেকদিন ছোট-বড় সকলের এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। কারণ ৮ আউন্স দুধে রয়েছে ৮ গ্রাম প্রোটিন।

 

মাছ

মাছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে মিঠা পানির মাছের প্রোটিন বেশি পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম মাছে ২১ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। আর মাছ খাওয়ার ফলে আপনার ত্বক, চুল, নখ এবং চোখ ভালো রাখার পাশাপাশি হৃদপিন্ডের কার্য সচল রাখে।

 

কলিজা

কলিজা (মুরগির কলিজা, খাসির কলিজা, গরুর কলিজা) ইত্যাদি প্রাণীর কলিজায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। আর এই প্রোটিন আমাদের দেহে অনেকাংশ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে।

 

উদ্ভিজ্জ প্রোটিন জাতীয় খাবার এর তালিকা

নিম্নে কিছু উদ্ভিজ্জ প্রোটিন জাতীয় খাবার এর তালিকা দেওয়া হলোঃ

 

আলু

আলু একটি অতি জনপ্রিয় এবং সাধারণ খাবার। কিন্তু এই সাধারণ খাবারে রয়েছে অসাধারণ প্রোটিনের ক্ষমতা। তাই আপনারা যদি একটি মাঝারি আলুতে প্রায় চার গ্রামের মতো প্রোটিন পাবেন। আলোতে শুধু প্রোটিন নয় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।

 

ডাল

উদ্ভিদ জাতীয় খাবারের মধ্যে অন্যতম প্রোটিন উপাদান ডাল। ডালে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, পটাশিয়াম ভিটামিন বি, খনিজ লবণ এবং আয়রন। ডাল হজম শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও ডাল আপনার হৃদযন্ত্র সচল রাখবে।

 

বাদাম

বাদামে অধিক পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। বাদামে রয়েছে প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। বাদাম নিয়মিত খেলে আপনার শরীরে কোনো ক্ষতি করবে না বরং আপনার স্বাস্থ্যের অনেক সুবিধা করবে। বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে আপনাকে নিরাময় প্রদান করবে। এছাড়াও প্রতিদিন বাদাম খেলে আপনার ত্বক সুস্থ থাকবে।

 

পেয়ারা

পেয়ারা ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। এটিতে ভিটামিন-সি সহ অন্যান্য পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় ল। তাই প্রত্যেকদিন খাবার তালিকা যদি পেয়ারা রাখেন তাহলে মন্দ হয় না।

তো এই ছিলো আজকের পোস্ট। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।

প্রোটিন জাতীয় ফল, প্রোটিন ট্যাবলেট এর নাম, প্রোটিন কি, পরত ওজ পরটন গরম, পরটন সমদধ খবর, কপ পরটন গরম পরত, পরটন গরম পরত ওজ, প্রোটিন জাতীয় ঔষধ, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার তালিকা, গরুর প্রোটিন জাতীয় খাবার, প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে কি হয়, প্রোটিন জাতীয় খাবারের উপকারিতা,

Add a Comment

Your email address will not be published.