লাইফস্টাইল

ভালো থাকার উপায় কী?

কে সুখী বা ভালো থাকতে না চায়। প্রত্যেকে যে যার মত সুখী থাকতে চায়। তবে আপনি জানেন কি আপনার নিজের সুখে থাকাটা আপনার নিজের হাতেই রয়েছে। এমন কিছু কাজ আছে যা করলে আপনি সুখে থাকতে পারবেন এবং এমন কিছু কাজ আছে করলে আপনার জীবনটা নষ্ট হয়ে যেতেও পারে। আজকে আমরা কিভাবে ভালো থাকা যায় তা নিয়ে কিছু পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করব আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে-

 

১. নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করা

ভুল করেও নিজেরকে অন্যের সাথে তুলনা করবেন না, এতে আপনার জীবনযাত্রার মাত্রায় আলকাতরা পড়ে যেতে পারে। মনে রাখবেন আলকাতরার রং কিন্তু কালো, কথা শুনতে বা পড়তে খারাপ লাগলেও সেটা আপনার জীবনের জন্য অনেক ভালো।

 

২. নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিন

আমরা সব সময় কিছু না কিছু নিয়ে চিন্তা করি ।তবে আপনি যেই চিন্তা করেন না কেন নেতিবাচক চিন্তা গুলো খুব কম পরিমাণে করবেন। নেতিবাচক চিন্তা আপনার মাইন্ড এর উপর প্রভাব ফেলে আপনাকে ভালো থাকা থেকে বিরত রাখে। সুতরাং সবসময় করবেন ইতিবাচক চিন্তা করার।

 

৩. পরিবার ও বন্ধুর সঙ্গে সময় উপভোগ

বন্ধু বা পরিবার হচ্ছে আনন্দের খনি। একজন বন্ধু বা পরিবার আপনাকে যে পরিমাণ সুখী রাখবে অন্য কেউ আপনাকে সেই পরিমান সুখী থাকতে পারবে না। যতটুকু সময় পাবেন তাকে কিছু পরিমাণ সময় আপনি আপনার বন্ধু বা আপনার পরিবারের সঙ্গে ব্যয় করুন। দেখবেন আপনার মন এবং আপনি নিজেই ফ্রেশ থাকবেন। কারণ একজন বন্ধু বা পরিবার যেকোন সময় যেকোন কিছুর মাধ্যমে আপনার মনকে ভালো করে দিতে পারে।

 

৪. উত্তম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন

একটা প্রবাদ আছে “স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল”। আপনার স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনার কোন কিছুই ভালো লাগবে না। আপনার স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে আপনিও ভালো থাকবেন না। সুতরাং যা কিছু করেননা কেন আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। দেখবেন আপনি নিজেও ভালো থাকবেন। আর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য কিছু নিয়মিত খাবার প্রয়োজন। আপনি সেই সব খাবার রুটিনমাফিক খেয়ে নেবেন দেখবেন আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং আপনি নিজেকেও ফিট মনে হবে।

 

৫. শারীরিক পরিশ্রম করুন

সব সময় চেষ্টা করবেন কায়িক পরিশ্রম করার। কারণ কায়িক পরিশ্রম মানুষকে শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে শক্তিশালী করায়। আর মানুষের সুস্থ থাকার সবথেকে অন্যতম উপায় হচ্ছে কায়িক পরিশ্রম করা। যে মানুষ যত বেশি কায়িক পরিশ্রম করতে পারে সে ততো বেশি স্বাবলম্বী এবং সুস্থ হতে পারে।

 

৬. নিজেকে কর্মব্যস্ত রাখুন

নিজেকে সবসময় কর্মব্যস্ত রাখার চেষ্টা করুন। কারণ নিজেকে যখন রাখবেন তখন কাজের মধ্যে ডুবে থাকার জন্য বাহিরের কোন চিন্তা আপনার মাথায় থাকবে না। যার জন্য নিজের মাঝে বাড়তি কোন টেনশন থাকবে না। নিজেকে অনেক ইজি ফিল করবেন।

 

৭. একা থাকা থেকে বিরত থাকুন

আপনি যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন নিজেকে একা রাখা থেকে বিরত থাকুন। আপনি যখন নিজে একা থাকবেন তখন আপনার মধ্যে অনেক ধরনের চিন্তা আপনাকে গ্রাস করবে। আপনি যখন একা না থেকে অন্য কোন লোকের সঙ্গে থাকবেন তখন দেখবেন আপনি তার সঙ্গে কথা বলতে বলতে কখন যে নিজের সময় পার করে ফেলেছেন বুঝতেই পারবেন না এবং নিজেকে সে চিন্তা থেকে বিরত রাখতে পারব। সুতরাং সবার সঙ্গে থাকার চেষ্টা করুন এবং একা থাকা থেকে বিরত থাকুন।

 

আশা করি আমাদের দেয়া সকল পয়েন্ট আপনাদের ভাল লেগেছে এবং এসব পয়েন্ট আপনাদের নিজেকে ভালো রাখার জন্য সাহায্য করবে।

যদি আমাদের লেখাগুলো আপনাকে ভাললাগে তাহলে আপনি আমাদের লেখাগুলো আপনার ফ্রেন্ড এর মধ্যে ছড়িয়ে দিলে আমরা খুব উপকৃত হব।

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button