রক্তে এলার্জি কমানোর উপায়

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সকলে অনেক ভালো আছেন। আপনাদের কে আমাদের এই সাইটে আমার পক্ষ থেকে জানাই স্বাগতম। আজকের পোস্ট এ আমি আপনাদের সাথে রক্তে এলার্জি কমানোর উপায় এই বিষয় টি নিয়ে কথা বলবো। তো চলুন দেরি না করে পোস্ট টি শুরু করে দেওয়া যাক।

 

এলার্জি শব্দ টি অনেক কমন একটি জিনিস। এলার্জি বিশেষ বিশেষ কোনো খাবার থেকেও হতে পারে। এলার্জি কোন এক বা একাধিক বিশেষ খাবার থেকে হতে পারে। রক্তের গ্রুপ ভেদা – ভেদে আলাদা অনুভূত হয়। যেমন বি গ্রুপ রক্ত এর এ গ্রুপের ক্ষেত্রে নাও দেখা দিতে পারে এলার্জি।

রক্তে এলার্জি ইসিন‌‌োফি‌‌‌ল এবং অন্যান্য রক্ত কোষ তথা- লোহিত, স্বেত রক্ত কণিকার মতো অস্থি মজ্জা থেকেও উৎপন্ন হয়। ইসিন‌‌‌ো‌‌ফিল ব্যাক‌‌ট‌‌‌েরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু কিংবা পর জীবি দের মেরে ফেলে। এরা সাইটো টক্সিক অণু, সাইটো কাইনেজ নিঃসরণের মাধ্যমে এ কাজটি করে থাকে।

 

তো মাঝে মাঝেই শোনা যায় অনেকের এলার্জি হয়েছে। তো এই এলার্জি থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এবং রক্তে এলার্জি কমানোর উপায় এই বিষয় টি নিয়েই আজকের আমাদের এই পোস্ট। এজ পোস্ট পড়লে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন রক্তে এলার্জি কমানোর উপায় টি।

 

রক্তে এলার্জি কমানোর উপায়

রক্তে এলার্জি কমানোর উপায় নিয়ে এই পার্ট এ আমরা আলোচনা করবো। কিন্তু এর আগে আমাদের জানতে হবে আমাদের এলার্জি আসলেও আছে কি না। তো ঘরের মধ্যে ঘরে জমা ধুলো বালি পরিষ্কার করছেন হঠাৎ করে হাঁচি শুরু হলো এবং পরে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিংবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস খাচ্ছেন , চিংড়ি মাছ খাচ্ছেন , ইলিশ মাছ ও গরুর দুধ খাচ্ছেন হঠাৎ ই শুরু হলো গা চুলকানি অথবা চামড়ায় লাল লাল চাকা বর্ণ হয়ে ফুলে উঠেছে, এগুলো হলেই ধরে নিতে হবে যে আপনার এলার্জি রয়েছে।

 

রক্তে এলার্জি কমানোর উপায় হলো যে কারণে আপনার এলার্জি হচ্ছে সেই কারণ গুলো শনাক্ত করে তা থেকে এড়িয়ে চলা। রক্তে এলার্জি কমানোর জন্য এলার্জি হতে পারে এমন জিনিস থেকে এড়িয়ে চলা এবং ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি এলার্জি এর ভ্যাকসিন ও এলার্জি জনিত রোগীদের সুস্থ থাকার জন্য অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি।

 

এ পদ্ধতি ব্যাবহারের ফলে কর্টি‌‌কো‌‌ষ্টের‌‌য়েড‌‌ের ব্যাবহার অনেকটা কমে যায়। যার ফলে কর্টিকো‌‌ষ্টে‌‌রয়ে‌‌ডের অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এ, বিশেষ করে উন্নত দেশ গুলো তে এ পদ্ধতিতেই চিকিৎসা দেয়া হয়। বর্তমান এ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও এই ভ্যাকসিন পদ্ধতি এর চিকিৎসাকে রক্তে এলার্জি জনিত রোগিদের দীর্ঘ মেয়াদি সুস্থ থাকার একটি মাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি বলে আক্ষায়িত করেছে।

 

এলার্জির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম

এলার্জি ভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে এলার্জি থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যায়। এলার্জি তে যেহেতু শরীর থেকে হিস্টামিন প্রচুর রিলিজ হয় তাই এলার্জি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হলে আমাদের হিষ্টামিন কে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। সেই জন্য অ্যালার্জিক কন্ডিশনে অ্যান্টি – হিস্টামিন হলো এলার্জির মূল চিকিৎসা বলা যায়।

এলার্জি সুনির্দিষ্ট ভাবে পেরি‌‌‌‌‌‌ফ‌‌‌েরাল H1 রিসে‌‌‌‌প‌্টরের কার্য করীতা রোধকারী একটি এন্টি – হিস্টামিন। মুখে খাওয়ার পর এটি খুব কম সময়ে পরি শোষিত হয় এবং ২ থেক ৩ ঘন্টার মধ্যে সর্বোচ্চ প্লাজমা ঘনত্ব এ পৌঁছে যায়। দৃশ্যত, এটি ব্লাড ব্রেইন বের‌‌িয়ার অতি‌‌‌ক্রম করেনা। অ্যালা‌‌ট্রল কিংবা সেটি‌‌জিন প্রতি দিন রাতে একটা করে খেতে পারেন। তবে আমি সাজেস্ট করবো চিকিৎসক এর পরামর্শ গ্রহণ করেই এগুলো খাবেন।

 

তো বন্ধুরা আশা করছি আপনারা বুঝতে পেরেছেন রক্তে এলার্জি কমানো উপায় টি। এগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই আপনারা এলার্জি দূর করার উপায় টি ও বুঝতে পারবেন। তখন আর এলার্জি দূর করার উপায় যানতে অন্য কারো কাছে যেতে হবে না।

 

তো বন্ধুরা আশা করি পোস্ট টি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে কিন্তু অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আর এরকম পোস্ট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করতে থাকুন আমাদের এই সাইট টি। আবার দেখা হবে পরবর্তী কোনো পোস্ট এ। সে পর্যন্ত সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেয।

রক্তে আইজিই কমানোর উপায়, এলার্জি দূর করার উপায় ঔষধ, ঠান্ডা এলার্জি দূর করার উপায়, নাকের এলার্জি দূর করার উপায়, রক্তে এলার্জি থাকলে কি হয়, রক্তে এলার্জি কেন হয়, এলার্জি দূর করার ক্রিম, ইওসিনোফিল কমানোর উপায়

Add a Comment

Your email address will not be published.